সংগতি ইয়ুথ এসোসিয়েশন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর থেকে আমাদের মূল লক্ষ্য ছিল সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা এবং তরুণ প্রজন্মকে মানবিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করা। আমরা বিশ্বাস করি—তরুণরাই একটি জাতির প্রাণশক্তি, আর তাদের সঠিক দিকনির্দেশনা ও উদ্যোগ একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে মুখ্য ভূমিকা রাখতে পারে। ২০১৭ সালের ৬ই মার্চ থেকে আমরা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশ সংরক্ষণ, মানবিক সহায়তা এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির মতো বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছি। প্রতিটি উদ্যোগের পেছনে রয়েছে আমাদের সদস্যদের অকৃত্রিম পরিশ্রম, সহযোগিতা ও দায়বদ্ধতা। সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের পাশে দাঁড়ানো, দুর্যোগের সময়ে সহায়তার হাত বাড়ানো, কিংবা তরুণদের নেতৃত্ব বিকাশে উৎসাহ দেওয়া—এই প্রতিটি কাজই আমাদের সংগঠনের গর্ব। আমাদের উদ্দেশ্য শুধু সহায়তা প্রদান নয়, বরং সমাজে এমন একটি সংস্কৃতি গড়ে তোলা যেখানে প্রত্যেকে দায়িত্ববোধ ও সহমর্মিতার সাথে অন্যের পাশে দাঁড়াবে। আমরা বিশ্বাস করি, পরিবর্তন শুরু হয় ছোট পদক্ষেপ থেকে, আর সেই পদক্ষেপই একদিন বৃহৎ আন্দোলনের রূপ নেয়। আমি “সংগতি ইয়ুথ এসোসিয়েশন বাংলাদেশ”-এর পক্ষ থেকে সকল সদস্য, শুভানুধ্যায়ী ও সহযোগী প্রতিষ্ঠানকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আপনাদের সহযোগিতা, বিশ্বাস ও সমর্থনই আমাদের এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। আসুন, আমরা সবাই মিলে একসাথে কাজ করি—একটি মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক ও আলোকিত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে।
সংগতি ইয়ুথ এসোসিয়েশন বাংলাদেশ আমার কাছে শুধু একটি সংগঠন নয়—এটি একটি স্বপ্ন, একটি বিশ্বাস, এবং একদল তরুণের নিরলস প্রয়াসের প্রতীক। ২০১৭ সালের ৬ই মার্চ আমরা যখন ছোট পরিসরে এই পথচলা শুরু করি, তখন আমাদের লক্ষ্য ছিল একটাই—তরুণদের শক্তিকে সমাজকল্যাণে কাজে লাগানো। আজ গর্বের সাথে বলতে পারি, “সংগতি” সেই স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দিচ্ছে, একের পর এক কার্যক্রমের মাধ্যমে। আমাদের সংগঠনের প্রতিটি উদ্যোগ—হোক তা শিক্ষা সহায়তা, রক্তদান, পরিবেশ সংরক্ষণ, বা দুর্যোগকালীন মানবিক সহায়তা—সবকিছুর কেন্দ্রে রয়েছে মানুষ ও মানবতা। আমরা বিশ্বাস করি, সমাজে পরিবর্তন আনার জন্য বড় পদ নয়, প্রয়োজন বড় মন আর সৎ উদ্দেশ্য। সেই উদ্দেশ্য থেকেই আমাদের প্রতিটি সদস্য এগিয়ে চলে দায়িত্ব ও ভালোবাসার বন্ধনে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, তরুণদের হাতে যদি সঠিক দিকনির্দেশনা ও সুযোগ দেওয়া যায়, তারা সমাজ ও দেশ দুটোই পরিবর্তন করতে পারে। সংগতি ইয়ুথ এসোসিয়েশন বাংলাদেশ সেই পরিবর্তনের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছে—যেখানে প্রত্যেকে একে অপরের পাশে দাঁড়ায়, সাহায্যের হাত বাড়ায়, এবং সমাজে আলো ছড়িয়ে দেয়। আমাদের এই যাত্রা কেবল শুরু। সামনে আরও অনেক পথ বাকি, অনেক কাজ করার আছে। আমি সকল সদস্য, শুভানুধ্যায়ী ও সহযোগীদের আহ্বান জানাই—চলুন, আমরা একসাথে এগিয়ে যাই, এক নতুন সম্ভাবনার বাংলাদেশ গড়তে।
সমাজের অবহেলিত শ্রেণী, বিশেষ করে অত্যন্ত দরিদ্র/ বাস্তুহীন ও অনাথ শিশু এবং সকল বয়সের মানুষদেরকে মানসম্পন্ন শিক্ষা, পুষ্টি এবং আশ্রয়ের মাধ্যমে সমর্থন প্রদান করা যাতে তারা জাতির সম্পদ হতে পারে।
পুষ্টিকর খাদ্য প্রদানের মাধ্যমে আমরা অপুষ্টিতে ভোগা মানুষের সাহায্য করতে চাই
অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীদের শিক্ষাবৃত্তি প্রদানের মাধ্যমে তাদের দেশ ও জাতির সম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই
বিনামূল্যে ঔষধ ও চিকিৎসার মাধ্যমে অবহেলিত শ্রেণীর পাশে থাকতে চাই
আপনার এক ধার রক্ত, অনেকের জীবনে আশা ও উৎসাহ। রক্তদান করুন!
অসহায়দের আর্থিকভাবে যথাসাধ্য সাহায্য করতে চাই
মানবিক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করতে আমাদের সাথে যুক্ত হোন।
অনুদানের মাধ্যমে আমাদের যেকোনো উদ্যোগে সরাসরি যুক্ত হতে পারেন। অথবা আপনার উল্লেখিত খাতে এই অনুদানের পুরো অংশ আমরা পৌছে দিয়ে আসবো।
অনুদান দিয়ে একটি শিশুর উজ্জল ভবিষ্যৎ গঠনে সহযোগীতা করুন।
মাসিক ফি দিয়ে আমাদের সাথে যুক্ত থাকুন।
একটি শিশুর শিক্ষা সামগ্রী স্পন্সরের মাধ্যমে শিশুটির ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে অনুদান দিন। এই প্রকল্পের আওতায় একটি শিশুকে ১ শিক্ষাবর্ষের সকল বই ও বাকি শিক্ষাসামগ্রী প্রদান করা হবে। তাই এই উদ্যোগে আমাদের সাথে যুক্ত হয়ে একটি শিশুর উজ্জল ভবিষ্যতের অংশীদার হোন।
স্পন্সর
"ক্ষুধার বিরুদ্ধে লড়াই" এর মূল উদ্দেশ্য সকল মানুষের জন্য পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করা এবং বিভিন্ন টেকসই উদ্যোগের মাধ্যমে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের এই সমস্যার টেকসই সমাধান বের করা।
অনুদানআমাদের লক্ষ্য সমাজের সর্বস্তরের মানুষের সাথে কাজ করা। আপনার যদি সমাজের মানুষের জন্য কিছু করার প্রত্যয় থাকে তাহলে আমাদের দলে আপনাকে স্বাগতম।
Registration